পশ্চিমবঙ্গ সরকার খারিফ মরশুমের জন্য কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দিতে শুরু করেছে Krishak Bandhu প্রকল্পের মাধ্যমে। মোট ২,৯৩০ কোটি টাকা ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হচ্ছে।
Krishak Bandhu প্রকল্প কি?
Krishak Bandhu পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সাহায্য করা হয়। প্রতি বছর খারিফ ও রবি মরশুমে কৃষকদের জমির আয়ু অনুযায়ী টাকা প্রদান করা হয়।
কেমন কৃষক পাবেন সুবিধা?
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী কৃষকরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন।
- জমির মালিকানা বা বর্গাদার হিসেবে কৃষকরা সুবিধা পাবেন।
- ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সের কৃষকরা প্রধানত সুবিধাভোগী।
- কৃষক যদি মারা যান, তবে পরিবারের জন্য সামাজিক সুরক্ষা বাবদ ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়।
- কম জমির কৃষকরাও অনুপাতে টাকা পাবেন, ন্যূনতম ৪,০০০ টাকা।
কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা কত?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী:
- প্রতি একর জমির জন্য ১০,০০০ টাকা প্রদান।
- এক বছরে দুই কিস্তিতে টাকা দেওয়া হয়।
- ২০২৫ সালে প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ কৃষককে মোট ২,৯৩০ কোটি টাকা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হচ্ছে।
- রবি মরশুমেও সমপরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকবে।
Krishak Bandhu টাকা কবে ঢুকবে?
২০২৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো শুরু হয়েছে। যেসব কৃষকের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা জমা হয়নি, তারা ব্যাংক একাউন্ট চেক করে স্ট্যাটাস নিশ্চিত করতে পারেন। Krishak Bandhu Status Check ব্যবহার করে নিজের তথ্য যাচাই করা সম্ভব।
Krishak Bandhu প্রকল্পের অন্যান্য সুবিধা
- প্রতিবছরে দুটি কিস্তিতে টাকা দেওয়া হয়।
- জমির আয়ু ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী সাহায্য নির্ধারণ।
- কৃষকদের আর্থিক স্থিতি ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নয়নে সহায়ক।
- দুর্যোগ বা প্রাকৃতিক ক্ষতির সময় কৃষকদের রক্ষা।
উপসংহার
Krishak Bandhu প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহায়তা। এটি দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। সরকারের সরাসরি অর্থ প্রদান কৃষকদের জীবনযাত্রা উন্নত করছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতি থেকে রক্ষা করছে। কৃষকরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা পাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও এটি চালু থাকবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন।







